ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে স্বৈরাচার ও আওয়ামীলীগের দোষর হাজী আনোয়ার হোসেন আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী একজন হয়েও আওয়ামীলীগ সরকারের সময় যেমন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে চলেছেন। স্বৈরশাসক পতনের পরেও সেভাবেই আধিপত্য ধরে রেখে চলেছে। এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে স্থানীয় বিএনপিতে।
স্বৈরশাসকের সময় হাজী আনোয়ার হোসেনের দাপটে পৌর শহরের তার নিজ এলাকা ২নং ওয়ার্ডে বিএনপি সহ আওয়ামী বিরোধী কোন দলই আন্দোলন, মিছিল মিটিং করতে পারেনি। অন্য কোন দলকেই রুপপুর এলাকা এবং আশপাশে মিছিল মিটিং এমনকি কোনরকম আলোচনা পর্যন্ত করতে দেয়নি আওয়ামী দোষর হাজী আনোয়ার। এলাকায় ছোট বড় সকল ধরনের ঘটনায় বিচার শালিসে মুখ্য ভুমিকা রাখতো হাজী আনোয়ার।
বিচার শালিসে তিনি যেটা বলতেন সেটাই মানতে বাধ্য করা হতো সবাইকে।
তিনি আওয়ামী লীগের সময় এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আতংক সৃষ্টি করে রাখা হাজী আনোয়ার এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। হাজী আনোয়ারের ছেলে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আসাদুজ্জামান সুমন ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়ে কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে এসেছে কিন্তু স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুমনের বাবা আওয়ামী দোষর হাজী আনোয়ার হোসেন এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে। কেউ কেউ আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে প্রভাব বিস্তার করে চলা হাজী আনোয়ার কি এতোটাই প্রভাব এখনো রয়েগেছে যে তাকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একাধিক ব্যাক্তি জানান, স্বৈরশাসকের দোষর হাজী আনোয়ার মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি করে এলাকায় তার আধিপত্য বজায় রাখতো। এলাকার সমস্যা হলে যেকোন বিচার শালিস তাকে ছাড়া হতো না। তাকে না জানিয়ে কোন সমস্যা সমাধান করলেও হাজী আনোয়ার কর্তৃক হুমকি ধামকির স্বীকার হওয়া লাগতো সেই ভয়ে তাকে ছাড়া কোন মিমাংসায় বসতো না কেউ। হাজী আনোয়ারের ছেলে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা। স্বৈরশাসকের পতনের পর তার ছেলে গ্রেফতার হলেও হাজী আনোয়ার এখনো বহাল তবিয়তেই রয়ে গেছে। উল্টো আওয়ামী পরিবারের হয়েও তার ছোট ভাইকে কৌশলে বিএনপিতে ভেড়ানোর চেষ্টা করছে। হাজী আনোয়ার আগে বলতো বিএনপি করাতো দুরের কথা আমার পরিবারের কেউ বিএনপির সাথে সম্পর্ক রাখলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হবে। এদিকে এখন তিনি নিজেকে আবার ক্ষমতার ভারসাম্যে রাখতে তার ছোট ভাইকে বিএনপিতে ঢোকানোর চেষ্টা করছে বলে একাধিক সুত্রে জানাগেছে। এদিকে ২ নং ওয়ার্ডে বসবাস করা কিছু বিএনপি নেতাকর্মীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। তারা দ্রুত হাজী আনোয়ারকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

নিউজ ডেস্ক,অনলাইন