মোবাইলের সিমে ভ্যাট প্রত্যাহার চায় এমটব

  • আপলোড সময় : ৬ মার্চ ২০২৪, বিকাল ৫:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ মার্চ ২০২৪, বিকাল ৫:৪৪ সময়
মোবাইলের সিমে ভ্যাট প্রত্যাহার চায় এমটব

ই-সিমসহ মোবাইলের সব ধরনের সিম সরবরাহের ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট অপসারণের দাবি জানিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)।


দাবির স্বপক্ষে এমটব জানায়, সিম সরবরাহের ওপর ভ্যাট অপসারণের ফলে গ্রামাঞ্চলে মোবাইল প্রবেশ অপারেটরদের জন্য আকর্ষণীয় ও আর্থিকভাবে ফলপ্রদ হবে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে সহায়ক হবে এবং মোবাইল টেলিযোগাযোগ শিল্পখাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। বর্তমানে ই-সিমসহ সকল সিমের ওপর ২০০ টাকা ভ্যাট আরোপিত আছে।



মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে অনুষ্ঠিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রাক বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানায় সংগঠনাটি।

আলোচনায় করহার নির্ধারণে মোবাইল অপারেটরদের পৃথক শ্রেণিভুক্ত না করে অন্যান্য কোম্পানির সারিতে পুনর্বিন্যস্ত করার দাবি জানিয়েছে এমটব। বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মোবাইল অপারেটরদের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য ৪৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য। আর সাধারণ করপোরেট ট্যাক্স হার অতালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য ২০ শতাংশ।

টেলিকম মেশিনরি, ইকুইপমেন্ট ও সফটওয়ারের জন্য পৃথক এইচএস কোড নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে এমটব। তারা জানায়, টেলিকম অপারেটরদের জন্য পৃথক এইচএস কোডিং সিস্টেম না থাকায় অপারেটরদের এন্টেনা ডিজাইনিং ও কাস্টমাইজেশন সলিউশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ ছাড়া সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সমূহের ওপর মূসক অপসারণ, ইনপুট ভ্যাট রিবেট হতে ঋণাত্মক তালিকা বাদ দেওয়া, টেলিকম পরিষেবাগুলোয় সম্পূরক শুল্ক (এসডি) এবং সারচার্জ (এসসি) বাতিল করা, ডাইরেক্ট অপারেটর বিলিং পরিষেবাগুলোতে সারচার্জ অপসারণ, রাউটারের মূল্য প্রথম শিডিউলের অধীনে নির্ণয়কৃত এইচএস কোড অনুসারে নির্ধারণ করা, মোবাইল টেলিফোন বিল হতে উৎসে কর অব্যাহতি, অবচয় ভাতা সমন্বয়সহ ২১টি প্রস্তাব দিয়েছে এমটব।

এ সময় এমটবের মহাসচিব লে. কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) বলেন, মোবাইল শিল্পের অবকাঠামোর উপর দেশের সার্বিক ডিজিটাইজেশন প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল। এর মাধ্যমেই ব্যাংকিং, মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস, রাইড শেয়ারিং, ই-কমার্স শিক্ষা কিংবা ই-কুরিয়ারসহ সকল খাত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ খাতের সার্বিক প্রবৃদ্ধি অন্যান্য সকল খাতের সার্বিক প্রবৃদ্ধির নির্ণায়ক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই খাতের ওপর প্রযুক্ত বিবিধ কর দেশের অন্যান্য খাতের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এই মাত্রা যথেষ্ট বেশি। এনবিআর এসব বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে বলে আশা করি।

অন্যদিকে বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফেকচারিং এসোসিয়েশন তাদের প্রস্তাবে কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে উৎসে কর হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ, ন্যূনতম কর ১ শতাংশ, আমদানির ক্ষেত্রে আগাম কর (এটি) আদায় বাদ দেওয়া, মিনারেল ওয়াটার ও ড্রিংকিং ওয়াটারের জন্য আলাদা এইচএস কোড প্রণয়ন ও সম্পূরক শুল্ক কমানোর দাবি জানিয়েছে।




কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক

সর্বশেষ সংবাদ