মোঃ শামছুল হক, তাড়াশ সংবাদ দাতা
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া, সলঙ্গা সহ আশপাশের এলাকায় অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে পচেঁ যাচ্ছে পাকা, আধা পাকা ধান।
ধানকাটার পূর্ব মুহূর্তে এমন রোগাক্রান্ত হওয়ায় কৃষক দিশেহারা।
কোনো কোনো এলাকায় এটাকে কারেন্ট পোকার আক্রমণ বলে জনশ্রুতি থাকলেও প্রকৃত রোগের কারণ কেউ বলতে পারছেন না।
অনেকে নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করেও আশানুরুপ কোনো ফলাফল পাচ্ছেন না।
কৃষি কর্মকর্তারা ধানক্ষেত শুকিয়ে দিয়ে ধান গাছ ফাড়ি দেওয়ার পরামর্শ দেন - যাতে ধানগাছের গোড়ায় রোদ এবং আলো বাতাস পায়।
সে মোতাবেক কাজ করার পরও আশানুরূপ সাফল্য আসছেনা।
এ বিষয়ে দেশের স্বনামধন্য কীটনাশক উৎপাদনকারী কোম্পানী সিনজেন্টার স্থানীয় প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের উৎপাদিত বালাই নাশক ব্যবহার করে কিছুটা সফলতা আসলেও তা যথেষ্ট নয়।
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে শ্রমদিয়ে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে ধান কাটার মৌসুমে পচন রোগের কারণে কৃষকেরা দিশেহারা।
সরকারী উদ্যোগে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়িয়ে আশু ব্যবস্থা গ্রহন না করলে শস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলের কৃষি ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের মধ্যে শঙ্কা বিরাজ করছে।

নিউজ ডেস্ক,অনলাইন