গোদাগাড়ীর এক পরিবারেই মাদকের রমরমা সাম্রাজ্য লস্করহাটির 'পলাশ সিন্ডিকেট' কেন অধরা?

  • আপলোড সময় : ৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১:৪৯ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১:৪৯ সময়
গোদাগাড়ীর এক পরিবারেই মাদকের রমরমা সাম্রাজ্য লস্করহাটির 'পলাশ সিন্ডিকেট' কেন অধরা?



​[মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল: গোদাগাড়ী রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি​​​]:

একের পর এক মামলা, মাদক ব্যবসা, পুলিশের ওপর হামলা এবং অপহরণের মতো গুরুতর অভিযোগ। তবুও নির্বিঘ্নে চলছে প্রকাশ্য অপরাধযজ্ঞ। কোনো এক অদৃশ্য শক্তির জোরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে পুরো পরিবার। এমনই এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে [আপনার এলাকার নাম/থানার নাম] লস্করহাটি গ্রামের মৃত/মো. ইব্রাহিম আলীর ছেলে পলাশ এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে।

​এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুকৌশলে এলাকায় ইয়াবা ও ফেনসিডিলের বিশাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে এই পলাশ।


অনুসন্ধানে জানা যায়, পলাশের বিরুদ্ধে অন্তত ৪টি ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সুনির্দিষ্ট মাদক মামলা, অপহরণ মামলা এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী বা দোসর হিসেবে রাজনৈতিক সহিংসতার মামলা। এমনকি তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার অভিযোগও রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এতগুলো মামলা মাথায় নিয়েও সে এলাকায় বুক ফুলিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে।


স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, পলাশ অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির অপরাধী। পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাতে গেলে সে দ্রুত হাত বা পকেট থেকে মাদকদ্রব্য ফেলে দিয়ে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে। শুধু তাই নয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বাড়িতে অভিযান চালাতে গেলে তার মা জোহরা বেগম এবং বোন অশালীন আচরণ ও হট্টগোল সৃষ্টি করে পুলিশকে পিছু হটতে বাধ্য করে। এমনকি পূর্বে পুলিশের ওপর হামলা চালানোর মতো ধৃষ্টতাও দেখিয়েছে এই চক্রটি।

অনুসন্ধানে আরও তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কেবল পলাশই নয়, তার পুরো পরিবারই জড়িয়ে আছে নানাবিধ অপরাধে। পলাশের মা জোহরা বেগমের বিরুদ্ধেও অন্তত ২টি মামলা রয়েছে; যার একটি হেরোইন সংক্রান্ত মাদক মামলা এবং অন্যটি হত্যা মামলা। অন্যদিকে, পলাশের বাবা ইব্রাহিম আলী নিজে মাদক ব্যবসার পাশাপাশি তীব্র হেরোইন আসক্ত বলে জানা গেছে। পুরো পরিবার মিলে যেন লস্করহাটি গ্রামে এক মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে।


এলাকার সচেতন মহলের মনে এখন একটাই প্রশ্ন যেখানে সাধারণ অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে, সেখানে এতগুলো গুরুতর মামলার আসামি হয়েও পলাশ ও তার পরিবার কীভাবে নির্বিঘ্নে রমরমা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে? স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন রয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের সাথে পলাশের বিশেষ সখ্যতা ও নিয়মিত অবৈধ লেনদেনের কারণেই সে বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে।


​এই মাদক সিন্ডিকেটের কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। এলাকাবাসীর দাবি, অনতিবিলম্বে এই প্রভাবশালী ও কৌশলী মাদক চক্রের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং লস্করহাটি গ্রামকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা হোক।






কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক

সর্বশেষ সংবাদ
রায়গঞ্জে ৩ হাজার কৃষকের মাঝে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  হুযাইফা হিজল, রায়গঞ্জ:   সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।  শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় রায়গঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক।  রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামছুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, কুদ্দুস মন্ডল, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হায়দার আব্বাসী, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মুক্তাদীর, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাম সরকার বিপ্লবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।  উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৩ হাজার কৃষকের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।  প্রত্যেক কৃষক এক বিঘা জমিতে উফশী রোপা আমন ধান চাষের জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার পাচ্ছেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

রায়গঞ্জে ৩ হাজার কৃষকের মাঝে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন হুযাইফা হিজল, রায়গঞ্জ: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় রায়গঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক। রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামছুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, কুদ্দুস মন্ডল, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হায়দার আব্বাসী, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মুক্তাদীর, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাম সরকার বিপ্লবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৩ হাজার কৃষকের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক কৃষক এক বিঘা জমিতে উফশী রোপা আমন ধান চাষের জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার পাচ্ছেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।