মুহা, জাকারিয়া মাসুদ,
বাংলাদেশের দক্ষিণ বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ইলমে তাসাউফের মারকাজ রসুলপুর, বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ি। এর তিন দিন ব্যপি বাৎসরিক ১ম মাহ্ফিল নভেম্বর এর ২০,২১,২২ তারিখ রোজ, বৃহঃ শুক্র ও শনিবারে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লামা আব্দুল মতিন নেছারী পীর সাহেব রসুলপুরী রহঃ, তিনি যদিও পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার মাছুয়া গ্রামের সন্তান কিন্তু দ্বীনি তাকাজায় রসুলুল্লাহ
সাঃ এর স্বপ্নযোগে ইশারায় এই রাজবাড়ির রসুলপুরে আগমন করেন। তিনি জন্মের পর শিশুকালেই দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলেন, এই আল্লাহর বুজুর্গ বান্দা হাফেজে কুরআন এবং উস্তাদের কাছে শোনার মাধ্যমে মাওলানা শেষ করেন।
রসুলপুরে এসে শিরক বেদায়াত দুর করার পাশাপাশি তিলে তিলে দাওরা হাদিস মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি চার তরিকার পীরে মোকাম্মেল ছিলেন, প্রথমে চরমোনাই এর সৈয়দ ইসহাক রহঃ এর বায়াত ছিলেন তারই পরামর্শ নিয়ে ভারত সফর করেন তবে পরে তিনি ভারতের বর্ধমানের মাওালানা আব্দুল খালেক বর্ধমানী রহঃ এর খেলাফত লাভ করেন বর্ধমানী হযরত হুসাইন আহমাদ মাদানী রহঃ এর খলিফা ছিলেন। এবং সেই মর্মেই বায়াত করাতেন।
তিনি প্রতিষ্ঠা করেন অরাজনৈতিক আত্বশুদ্ধীমুলক সংগঠন, বাংলাদেশ জমিয়াতুচ্ছালেকীন। এই সাজানো বাগান রেখে তিনি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ইহলোক ত্যাগ করেন।
তারপর থেকে এই সংগঠনের আমিরুল উমারা ও মাদরাসার মুহতামিম হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন, তাঁর আপন ছোট ভাই ও খলিফা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শরিফ মাসুম বিল্লাহ নেছারী, পীর সাহেব রসুলপুরী। তিনি একই সাথে রাজবাড়ি জেলা কওমী মাদরাসা বোর্ড ও রাজবাড়ি জেলা ওলামা পরিষদের সভাপতির দ্বায়িত্ব ও পালন করছেন।
তিনি জানিয়েছেন, বিগত বছরের চেয়ে এ বছরে আরো দেশ বরেন্য ওলামা বুজুর্গ ও আলোচকগন আগমন করবেন ইনশাআল্লাহ। এবং সারাদেশ থেকে লাখো মুসলমানদের আগমন ঘটবে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সকলের প্রতি দ্বীনি দাওয়াত রইল।
সেই সাথে মাহ্ফিলের সফলতার জন্য দোয়া চাই। আল্লাহ তায়ালা যেন মাহ্ফিল কে আম হেদায়েতের ফায়সালা করে দেন। আমিন

নিউজ ডেস্ক,অনলাইন