ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক এখনো ছয় হাজারের নিচে

  • আপলোড সময় : ১৫ মার্চ ২০২৪, রাত ১০:৩ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ মার্চ ২০২৪, রাত ১০:৩ সময়
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক এখনো ছয় হাজারের নিচে

গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে যায়। আজ সপ্তাহের শেষ দিন পৌনে তিন ঘণ্টা লেনদেনের পর সূচক ১৫ পয়েন্ট বাড়লেও এখনো তা ছয় হাজারের নিচে।  

 ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গতকাল বুধবার ৩৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯৭৪ পয়েন্টে নেমে আসে। বেলা ১২ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত তা ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯৮৯ পয়েন্টে উঠে আসে। ডিএসইএক্সের ৬ হাজার পয়েন্ট এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সীমা, অনেকে যাকে বাজারের মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করেন।  

আজ ভালো মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কমেছে; বেলা ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ও রেনেটার মতো ভালো মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। সে জন্য শেয়ার সূচক তেমন একটা বাড়ছে না।

গত জানুয়ারি মাসে শেয়ারবাজার থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর থেকে সূচকের পতন চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল প্রধান সূচক ছয় হাজারের নিচে নেমে আসে। আজ দিনের পৌনে তিন ঘণ্টা লেনদেনের পরও ডিএসইএক্স ছয় হাজারের নিচে।

আজ দিনের পৌনে তিন ঘণ্টা লেনদেনের পর লেনদেনের শীর্ষে ছিল এসএস স্টিল; দ্বিতীয় স্থানে ছিল গোল্ডেনসন; তৃতীয় স্থানে ছিল লাভেলো। গোল্ডেনসন বি শ্রেণিভুক্ত কোম্পানি; গত বছর তারা বিনিয়োগকারীদের দুই শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। বাকি দুটি কোম্পানিও দুর্বল প্রকৃতির।

বাজার সংশ্লিষ্ট মানুষেরা বলছেন, ভালো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা বছরের পর বছর ধরে লোকসান দিচ্ছেন। সে জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি শ্রেণির বিনিয়োগকারীরা ভালো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। কারসাজির মাধ্যমে দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আজ বেলা ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৩০০ কোটি টাকার মতো শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩১টি কোম্পানির; দাম কমেছে ৯৭টি কোম্পানির আর অপরিবর্তিত আছে ৬০টি কোম্পানির।




কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক

সর্বশেষ সংবাদ
রায়গঞ্জে ৩ হাজার কৃষকের মাঝে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  হুযাইফা হিজল, রায়গঞ্জ:   সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।  শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় রায়গঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক।  রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামছুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, কুদ্দুস মন্ডল, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হায়দার আব্বাসী, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মুক্তাদীর, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাম সরকার বিপ্লবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।  উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৩ হাজার কৃষকের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।  প্রত্যেক কৃষক এক বিঘা জমিতে উফশী রোপা আমন ধান চাষের জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার পাচ্ছেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

রায়গঞ্জে ৩ হাজার কৃষকের মাঝে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন হুযাইফা হিজল, রায়গঞ্জ: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় রায়গঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক। রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামছুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, কুদ্দুস মন্ডল, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হায়দার আব্বাসী, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মুক্তাদীর, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাম সরকার বিপ্লবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৩ হাজার কৃষকের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক কৃষক এক বিঘা জমিতে উফশী রোপা আমন ধান চাষের জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার পাচ্ছেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।